Wed. Feb 1st, 2023

    ১। ভাষার মূল উপকরণ বাক্য।

    ২। ভাষার মূল উপাদান ধ্বনি।

    ৩। ভাষার মৌলিক উপাদান শব্দ।

    ৪। বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক/মৌলিক উপাদান শব্দ।

    ৫। ধ্বনিকেশব্দের ক্ষুদ্রতম একক বলা হয়।

    ৬। শব্দকে বাক্যের প্রাণ বলা হয় ।

    ৭। উপসর্গ পদের আগে বসে, আর প্রত্যয় পদের পরে বসে ।

     

    ৮। উপসর্গের অর্থবাচকতা নেই, কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে ।

    ৯। যে ৪টি উপসর্গ বাংলা, তৎসম উভয় ক্ষেত্রেই রয়েছে আ, সু, নি , বি।

    ১০। অনুসর্গের অপর নাম কর্মপ্রবচনীয় বলে। এরা স্বাধীন পদ রুপে ও শব্দ বিভক্তির ন্যায় ব্যবহৃত হতে পারে।

    ১১। বিভক্তিহীন নাম শব্দ বলে প্রাতিপাদিক বা নাম প্রকৃতি ।

    ১২। বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতুকে পদ বলে ।

    ১৩। ক্রিয়াপদের মূলকে ধাতু বলে ।

    ১৪। বাক্যে অপরিহার্য ক্রিয়াপদ ।

    ১৫। সন্ধির সুবিধা ২টি ১. উচ্চারণ সহজ ২. ধ্বনিগত মাধুর্য স্থাপন সম্পাদন ।

     

    ১৬। ভাষার অপপ্রয়োগ ঘটে মূলত ৩টি কারণে । ১. উচ্চারণগত, ২ শব্দগঠনজনিত ৩. শব্দের অর্থগত

    ১৭। খাঁটি বাংলা শব্দে বিসর্গের ব্যবহার নাই ।

    ১৮। তৎসম শব্দে ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান খাটে না ।

    ১৯। সমাসবদ্ধ শব্দে ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান খাটে না ।

    ২০। সমাস ভাষাকে সংক্ষেপ করে ।

    ২১। সমাসের রীতি সংস্কৃত থেকে আগত।

    ২২। ব্যাকরণ শব্দটি সংস্কৃত থেকে আগত।

    ২৩। শব্দের অন্ত্য বর্ণের পূর্ব বর্ণ কে উপধা বলে ।

     

    ২৪। সমন্ধ পদ, তারিখ লিখতে, ঠিকানা লিখতে পদের পর কমা বসাতে হয়।

    ২৫। বাক্যের বিভিন্ন ধরনের প্রকাশভঙ্গিকে বাচ্য বলে।