Thu. Feb 2nd, 2023

    …………………………

    সমন্বিত কৃষি খামারে নুরুন্নাহার বেগমের ভাগ্য বদল হয়েছে। একেবারে শূন্য থেকে শুরু করলেও আজ তার রয়েছে ১০০টি গরু ও ১৫০টি ছাগল। এছাড়াও তিন প্রায় ৪৭ বিঘা জমিতে করেছেন মাছ চাষ, আরও রয়েছে পেয়ারার বাগান। নিজ উদ্যোগে খামার গড়ে তুলে আজ তিনি বেশ সফল। তার এই সফলতা দেখে অনেকেই আগ্রহী হয়েছেন খামার করার জন্য।

    নুরুন্নাহার বেগমের খুব কম বয়সেই বিয়ে হয়। বিয়ের পরেই স্বামীসহ তাকে শ্বশুর বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। একবারে শুন্য হাতে শ্বশুর বাড়ি ত্যাগ করেন তারা। পরে এক চাচা শ্বশুরের বাড়িতে ওঠেন তারা। সেখানে ১০ কাঠা জমিও ভাড়া নেন তারা, আর সেই জমিতেই                                                                    শুরু করেন বিভিন্ন প্রকার মৌসুমি শাক-সবজির চাষ। সিদ্ধান্ত নেন যেকোন মূল্যেই হোক ভাগ্য পরিবর্তন করতে হবে।

    …………………………

    ঐ সময়ে কৃষিকাজে এক নারীর সফলতার প্রতিবেদন দেখেন টেলিভিশনে। আর সেখান থেকেই অনুপ্রানিত হয়েই শুরু করেন কৃষিকাজ। প্রথমে শুরুতেই সমিতি থেকে ২ হাজার টাকার ঋণ নেন তিনি। তারপর সেই ঋণের টাকায় শুরু করেন শাক-সবজি ও হাঁস-মুরগির চাষ। এরপর আর তাদের পিছনে                                                           ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক সফলতা আসতে শুরু করেন তাদের জীবনে। হয়েছেন দেশের সেরা উদ্যোক্তাদের মধ্যে একজন। একেবারে শুন্য থেকে শুরু করলেও তাদের খামারে রয়েছে বর্তমানে ১০০টি গরু ও ১৫০টি ছাগল। এছাড়াও রয়েছে ৪৭ বিঘা জমিতে করেছেন মাছের চাষ, আর ২৫ বিঘা জমিতে রয়েছে পেয়ারার বাগান।

    নুরুন্নাহারের এই সফলতা দেখে স্থানীয় অনেক নারীই শুরু করেছেন কৃষিকাজ। আর এতে অনুপ্রেরণা হিসেবে                                                               কাজ করছেন নুরুন্নাহার বেগম। এই অঞ্চলের অসহায় নারীরা স্বাবলম্বী হওয়ায় জন্য গড়ে তুলেছেন একটি সমিতি। নুরুন্নাহার তার এই সফলতা জন্য পেয়েছেন কয়েকটি জাতীয় পুরষ্কার।

    …………………………

    নুরুন্নাহার সফল হওয়ার পরেও থেমে যাননি, এগিয়ে নিচ্ছেন আমাদের নারী সমাজকে। যেসকল শিশু প্রতিবন্ধি তাদের জন্য তিনি গড়ে তুলেছেন একটি প্রতিবন্ধি হাসপাতাল। আর এভাবেই জীবনের বাকি সময়গুলো কাজ করতে চান তিনি।
    তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট